'ঘোস্ট ট্রেন' — রিভিউ
ভয়ের গল্প সবসময় ভূত দিয়ে শুরু হয় না। কখনো শুরুটা হয় নিছক কৌতূহল দিয়ে, তারপর সেই কৌতূহল রূপ নেয় লোভে—আর লোভ একসময় মানুষকে এমন এক জায়গায় ঠেলে দেয়, যেখান থেকে আর ফেরার পথ খোলা থাকে না। কোরিয়ান সুপারন্যাচারাল অ্যান্থোলজি হরর 'ঘোস্ট ট্রেন' ঠিক এই গল্পটাই বলে।
কেন্দ্রীয় চরিত্র দা-কিউং একজন হরর কনটেন্ট ক্রিয়েটর, নতুন কনটেন্টের খোঁজে যে গিয়ে পৌঁছায় এক রহস্যময়, ভূতুড়ে স্টেশনে। মদ আর দামি উপহারের লোভ দেখিয়ে স্টেশন মাস্টারকে রাজি করায় স্টেশন আর সেখানকার অদ্ভুত যাত্রীদের ঘিরে একের পর এক গা-ছমছমে গল্প শোনানোর জন্য। সেই গল্পগুলো চ্যানেলে আপলোড হতে থাকে, ভিউ আর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে হু হু করে—কিন্তু এই জনপ্রিয়তার নেশাই একসময় দা-কিউংকে টেনে নিয়ে যায় লোভ আর অহংকারের এমন এক গভীরে, যেখানে গল্প বলা আর নিজেই গল্পের অংশ হয়ে যাওয়ার মধ্যে আর কোনো তফাত থাকে না।
প্রায় ১ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের এই সিনেমাটা ব্যক্তিগতভাবে বেশ ভালো লেগেছে। দেখতে দেখতে বারবার মনে পড়ছিল ছোটবেলার 'আহট'-এর 'মিস্ট্রি ট্রেন' পর্বের কথা।
সাউন্ড ডিজাইনটাও দারুণ—ট্রেনের ঘরঘর শব্দ, স্টেশনের নীরবতা, আর চারপাশের চাপা অস্বস্তি মিলিয়ে একটা ক্রিপি আবহ পুরো সময় ধরে রাখতে পেরেছে সিনেমাটা। জাম্পস্কেয়ারের ওপর ভরসা না করে এটা বরং জোর দিয়েছে অতিপ্রাকৃত রহস্য, থমথমে পরিবেশ আর অ্যান্থোলজি স্টাইলের গল্প বলায়।
হরর লাভার হলে একবার দেখে নিতে পারেন নিশ্চিন্তে। খুব বেশি প্রত্যাশা ছাড়া বসলে 'ঘোস্ট ট্রেন' মন্দ না, বরং বেশ উপভোগ্য একটা হরর এক্সপেরিয়েন্স দিতে পারে।
'ঘোস্ট ট্রেন' — রিভিউ ভয়ের গল্প সবসময় ভূত দিয়ে শুরু হয় না। কখনো শুরুটা হয় নিছক কৌতূহল দিয়ে, তারপর সেই কৌতূহল রূপ নেয় লোভে—আর লোভ একসময় মানুষকে এমন এক জায়গায় ঠেলে দেয়, যেখান থেকে আর ফেরার পথ খোলা থাকে না। কোরিয়ান সুপারন্যাচারাল অ্যান্থোলজি হরর 'ঘোস্ট ট্রেন' ঠিক এই গল্পটাই বলে। কেন্দ্রীয় চরিত্র দা-কিউং একজন হরর কনটেন্ট ক্রিয়েটর, নতুন কনটেন্টের খোঁজে যে গিয়ে পৌঁছায় এক রহস্যময়, ভূতুড়ে স্টেশনে। মদ আর দামি উপহারের লোভ দেখিয়ে স্টেশন মাস্টারকে রাজি করায় স্টেশন আর সেখানকার অদ্ভুত যাত্রীদের ঘিরে একের পর এক গা-ছমছমে গল্প শোনানোর জন্য। সেই গল্পগুলো চ্যানেলে আপলোড হতে থাকে, ভিউ আর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে হু হু করে—কিন্তু এই জনপ্রিয়তার নেশাই একসময় দা-কিউংকে টেনে নিয়ে যায় লোভ আর অহংকারের এমন এক গভীরে, যেখানে গল্প বলা আর নিজেই গল্পের অংশ হয়ে যাওয়ার মধ্যে আর কোনো তফাত থাকে না। প্রায় ১ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের এই সিনেমাটা ব্যক্তিগতভাবে বেশ ভালো লেগেছে। দেখতে দেখতে বারবার মনে পড়ছিল ছোটবেলার 'আহট'-এর 'মিস্ট্রি ট্রেন' পর্বের কথা। সাউন্ড ডিজাইনটাও দারুণ—ট্রেনের ঘরঘর শব্দ, স্টেশনের নীরবতা, আর চারপাশের চাপা অস্বস্তি মিলিয়ে একটা ক্রিপি আবহ পুরো সময় ধরে রাখতে পেরেছে সিনেমাটা। জাম্পস্কেয়ারের ওপর ভরসা না করে এটা বরং জোর দিয়েছে অতিপ্রাকৃত রহস্য, থমথমে পরিবেশ আর অ্যান্থোলজি স্টাইলের গল্প বলায়। হরর লাভার হলে একবার দেখে নিতে পারেন নিশ্চিন্তে। খুব বেশি প্রত্যাশা ছাড়া বসলে 'ঘোস্ট ট্রেন' মন্দ না, বরং বেশ উপভোগ্য একটা হরর এক্সপেরিয়েন্স দিতে পারে।